প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করে বাংলাদেশে ফেরার পথে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে ধরা পড়লেন বাংলাদেশী যুবক মোনা চন্দ্র রায় (২৮)। সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় পরিচয় থেকে তাদের প্রেম, সেই প্রেমের টানেই প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে কাঁটাতারের বেড়া ডিঙিয়ে ভারতে যান মোনা।

শেষ পর্যন্ত ভারত থেকে ফেরার পথে বিএসএফের হাতে ধরা পড়েন মোনা। ভারতে আ;ট;ক মোনা চন্দ্র রায় বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলা সদরের অমরখানা ইউনিয়নের গোলাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।

শুক্রবার (২০ মে) বিকেলে ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ভারতের জলপাইগুড়ি সদর গঞ্জের মানিকগঞ্জ সীমান্তে তাকে আ;ট;ক করা হয়।

আটকের পর বিএসএফ ভারতের জলপাইগুড়ির কোতোয়ালি থানা পুলিশের হাতে তাকে তুলে দেয়। গত বুধবার (১৮ মে) তাকে জলপাইগুড়ি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে জেলে পাঠিয়ে দেন। ভারতীয় পুলিশ বলছে, আটকের পর মোনা চন্দ্র রায়ের কাছ থেকে মালয়েশিয়ান ও বাংলাদেশি টাকা পাওয়া গেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, পঞ্চগড়ের যুবক মোনা চন্দ্র রায়ের সঙ্গে ভারতের মানিকগঞ্জের এক তরুণীর ৫ বছর আগে পরিচয় হয়। এর পর থেকে তাদের মাঝে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অনেক সময় মোবাইলের মাধ্যমে তাদের কথাবার্তা হতো।

মালয়েশিয়ায় এক বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করতেন মোনা। একসময় সে ছুটি নিয়ে প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে দেখা করতে বাংলাদেশে আসেন। এর পর ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ওই যুবক। দিনভর প্রেমিক-প্রেমিকা ঘোরাঘুরি শেষে মোনা দেশে ফিরতে গেলে সীমান্তে বিএসএফের হাতে ধরা পড়েন।

এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মোনা চন্দ্র রায় বলেন, ভারতীয় এক কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকায় দেখা করতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছেন। প্রায় ২ সপ্তাহ আগে ভারতে প্রবেশ করে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা শেষে বাংলাদেশে ফেরার পথে বিএসএফ তাকে আটক করে।

পঞ্চগড়ের অমরখানা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান নুরু বাংলাদেশি যুবকের ভারতে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোলাবাড়ি এলাকাটি সীমান্তের একেবারে কাছে। স্থানীয় ও মালয়েশিয়ায় চাকরি করা ওই যুবকের পরিবারের মাধ্যমে জানতে পেরেছি অবৈধভাবে প্রবেশ করায় মোনাকে ভারতে আটক করা হয়েছে। সেখানে আদালত তাকে প্রথমত ৭ দিনের জেল দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.