আলোচিত-সমালোচিত সোশ্যাল তারকা আশরাফুল হোসাইন আলম ওরফে হিরো আলমের (৩৫) বি;রু;দ্ধে থা;নায় অর্থ আত্মসাৎ ও অপহরণের অ;ভি;যো;গ করেছে তারই এক সময়কার কর্মচারী মো. রুবেল মুন্সী।

গত শুক্রবার গাজীপুরের শ্রীপুর মডেল থানায় করা অভিযোগে হিরো আলম ছাড়াও তার সহযোগী হিসেবে মো. লিমন (২৫) ও মো. শুভ (৩০) নামের দুই যুবকের নাম উল্লেখ করা হয়।

মো. রুবেল মুন্সী শনিবার বলেন, রাজধানীর মগবাজার ও রামপুরায় হিরো আলমের অফিসে চাকরি করেছেন রুবেল। হিরো আলমের ইউটিউব চ্যানেল দেখাশোনা করতেন তিনি। রুবেলের বেতনের টাকা আত্মসাৎ করেছে হিরো আলম।

এ টাকা চাইলে তাকে অপহরণ করে ভয়ভীতি দেখানোয় থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। থানা-পুলিশ তার অভিযোগটি জিডি আকারে নথিভুক্ত করে রিসিভ কপি দেয়। রবিবার তিনি ফের মা;মলা করবেন বলে জানান।তবে শ্রীপুর মডেল থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান আজ রাতে বলেন, এ বিষয়ে আমি এখনো কিছু জানি না।

থানায় করা অভি;যো;গে; রুবেল উল্লেখ করেছেন, হিরো আলমের মালিকাধীন অনলাইন ভিত্তিক কোম্পানিতে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন তিনি। বিবাদীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকায় সরল বিশ্বাস করত সে।

হিরো আলম ব্যবসায়িক প্রয়োজনে গত বছর রুবেলের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ধার নেয়। এ ছাড়া রুবেল হিরো আলমকে বিশ্বাস করে সাত মাসের বেতনের সব টাকা তার কাছে জমা রাখে। গত পাঁচ মাস আগে চাকরি ছেড়ে দেয় রুবেল।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, রুবেল তার পাওনা ৯০ হাজার টাকা হিরো আলমের কাছে চাইলে দেব, দিচ্ছি বলে নানা তালবাহানা শুরু করে।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে হিরো আলম তার সহযোগীদের নিয়ে রুবেলের বর্তমান কর্মস্থল শ্রীপুর থানাধীন ইয়ন ফুড কোম্পানির সামনে যায়।

সেখান থেকে ফোন করে রুবেলকে ডেকে এনে জোর করে প্রাইভেট কারে তোলে। পরে মেডিকেল মোড়ে নিয়ে রুবেলের কাছে থাকা ল্যাপটপসহ জিমেইল ও ফেইসবুক আইডি হ্যাক করে নেয়।

৩ টার দিকে রুবেলকে ছেড়ে দেয় তারা। এ সময় বিষয়টি কাউকে জানালে মারপিট ও জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে হিরো আলমের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করলেও তিনি কেটে দেন। পরবর্তীতে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও কোনো সাড়া দেননি।

এর আগে বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৭ জুলাই ভোরে রাজধানীর মিন্টোরোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে দীর্ঘ সময় হিরো আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ডিবি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.